গুগল সায়েন্স ফেয়ার ২০১৬ পরিচিতি কর্মশালা

বিশ্বের সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন গুগল ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সী ছেলেমেয়েদের জন্য ২০১১ সাল থেকে আয়োজন করে আসছে গুগল সায়েন্স ফেয়ার। সারা পৃথিবীর প্রায় ৯০টিরও বেশি দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞানের এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাটিতে অংশ নেয়। গুগল সায়েন্স ফেয়ারে যেসব প্রজেক্ট পুরষ্কার পেয়েছে, সেগুলির মধ্যে ইবোলার মতো ভয়ংকর রোগ সহজে এবং দ্রুত নির্ণয় করার উপায় থেকে পেলশিয়ার ক্রিয়া ব্যবহার করে ব্যাটারি ছাড়া ফ্ল্যাশ লাইট বানানোর মতো প্রজেক্ট আছে। এই প্রজেক্টগুলো কিন্তু বানাচ্ছে নানা দেশের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরাই। বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরাও যাতে গুগল সায়েন্স ফেয়ারে অংশ নিতে পারে, দরকারি প্রস্তুতি নিতে পারে, সেজন্য বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি (এসপিএসবি) গুগল সায়েন্স ফেয়ার ২০১৬ নিয়ে গত ১০ মার্চ, বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আয়োজন করেছিল একটি কর্মশালার।

কর্মশালাটিতে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের প্রায় ৩৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। গুগল সায়েন্স ফেয়ারের পরিচিতি, অংশগ্রহণের নিয়মকানুন, বিগত বছরের গুগল সায়েন্স ফেয়ারে পুরষ্কারপ্রাপ্ত কয়েকটি প্রজেক্ট নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে এতে। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা যেসব প্রজেক্টের আইডিয়া জমা দিয়েছে, সেখান থেকে বাছাই করে কিছু প্রজেক্টকে গুগল সায়েন্স ফেয়ারে জমা দেয়ার জন্য প্রস্তুত করতে এসপিএসবির পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।

কর্মশালায় সেশনগুলো পরিচালনা করেন এসপিএসবির নাজিয়া কাইয়ুম নিঝুম, সাদিয়া কবির দিনা, তারেক মুজাহিদ জামী এবং হাসান নাহিয়ান নোবেল। সমন্বয় করেছে সজীব বর্মণ।

Comments

comments

This entry was posted in . Bookmark the permalink.